×
ভাইরাল

প্রকাশ্যে এল রানু মণ্ডলের আসল রূপ, ইন্টারভিউ নিতে আসা যুবককে লাঠি ঝাঁটা তুলে গালিগালাজ! রইল ভিডিও

বিজ্ঞাপন

কথায় আছে প্রতিভা থাকলে তার বহিঃপ্রকাশ হতে বেশি সময় লাগে না। আর বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে প্রতিভা বিশ্বদরবারে তুলে ধরা আরো সহজ হয়ে উঠেছে। সেই ধারা বজায় রেখেই গত তিন বছর আগে ‘এক পেয়ারকা নাগমা হে’ (Ek Pyar Ka Nagma Hai) গানটি গেয়ে রাতারাতি ভাইরাল হয়েছিলেন রানাঘাটের স্টেশন ভিখারি রানু মন্ডল (Ranu Mandal)। বর্তমানে একডাকে সকলেই চেনে তাকে। নাম, যশ, খ্যাতি সবকিছুই আছে তার কাছে শুধু নেই পেটের খুদা নিবারনের দুটি অন্ন। মাঝে সাময়িক ভাবে হাল ফিরলেও বর্তমানে তাঁর অবস্থা সেই আগের মতোই হয়ে উঠেছে। আর এই কারন তিনি নিজেই। নিজের অহংকারের ফলে সব হারিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি, নেট দুনিয়ায় ফের ভাইরাল হয়েছে এক ইউটিউবারের প্রতি রানুমন্ডলের আশ্লীল মন্তব্য।

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত, রানু মন্ডল আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা অর্জনের পর মুম্বাইয়ে হিমেশ রেশমিয়ার (Himesh Reshammiya) সাথে গান গিয়েছিলেন তিনি। আর তারপর থেকেই বাইরে আসতে থাকে তাঁর ঔদ্ধত্য ও অহংকার! নিজের ভুল মন্তব্যের জেরে সমালোচনায় নাম লিখিয়েছেন তিনি। তখন থেকেই ইউটিউবাররা মুখিয়ে থাকেন কখন রানু মন্ডলের বাড়ি গিয়ে তাকে ফের ভাইরাল করবেন বলে। এই ইউটিউবারদের দৌরত্ম্যে মাঝেমধ্যেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন রানু দি। তাদের বিভিন্ন ভাবে অপমান করলেন তিনি। কিন্তু কেন?

আসলে, বেশির ভাগ সময় আর্থিক অভাবের কারনে পেটে কিল মেরে পরে থাকতে হয় তাকে। বাড়িতে জ্বলেনা চুলো, তারপরেও ইন্টারভিউ দিতে হয় তাকে, পূরণ করতে হয় সমস্ত ইউটিউবারদের দাবি। এবারো এক ইউটিউবার যখন তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় তখন তিনি স্পষ্টই বলে দিয়েছিলেন বাইরে আসবেন না তিনি। কিন্তু তাঁর অনিচ্ছাসত্ত্বেও বেশ কিছু প্রশ্ন করতে থাকে এক ইউটিউবার। তখনই তিনি মেজাজ হারিয়ে অনেকরকম গালিগালাজ করতে থাকে। এমনকি এক ইউটিউবারকে জানোয়ার বলে সম্বোধন করেন এবং ঝাঁটা হাতে এগিয়ে আসেন মারবার জন্য।

এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়ায়। যদিওবা বেশিরভাগ সময় ইউটিউবারদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে দেখা মিলেছে রানু মন্ডলের। কিন্তু অশ্লীল কথাবার্তার জন্য অনেক সময় মানসিক রোগির মতো মন্তব্যের শিকার হতে হয়েছে তাকে। তবে, এখানে অনেকেই রানুদির বিপরীতে নয় বরং তার পক্ষে কথা বলেছেন। এদিন বহু নেটিজেন বলেন-‘রানুদিকে এভাবে বিব্রত করা উচিত হয়নি,, মানুষের মন সব সময় ভালো থাকে না।’ যা একেবারেই স্বাভাবিক।

Related Articles