×
অফবিট

অবাক কাণ্ড! হাওড়া থেকে পায়ে হেঁটে লাদাখের পথে রওনা দিলো চন্দননগরের যুবক, রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন

এই প্রজন্মের প্রায় সকলের ইচ্ছে বাইকে করে লাদাখ যাবে। কখনো বন্ধুদের সাথে আবার কখনো একা। তবে স্বপ্নপূরণের জন্যে যে বাইক লাগে, সেই বাইক সকলের কাছে থাকে না। সেই জন্যেই বহু যুবকের ইচ্ছে মনের মধ্যেই চাপা পড়ে যায়। কিন্তু বাইক না থাকলেও লাদাখ যাওয়ার ইচ্ছে চাপা পড়েনি চন্দননগরের এক যুবকের। তার লাদাখ যাওয়ার কাহিনী শুনলেন সত্যি অবাক হবে এবং যুবকটিকে সাধুবাদ জানাবেন। আসুন তবে জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত ভাবে।

বিজ্ঞাপন

লাদাখ উত্তর ও পূর্ব কাশ্মীর অঞ্চলের একটি বড় এলাকা। এটি বিশ্বের এক সর্বোচ্চতম অঞ্চল এবং এটি উচ্চ সমভূমি এবং গভীর উপত্যকার সমন্বয়ে গঠিত। এই স্থানটি ১৯৭০ সালে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং তারপর থেকে এটি পর্বতারোহীদের এবং যারা ট্রেক বা পদভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, তাদের কাছে সবচেয়ে এক অন্যতম প্রিয় জায়গা হয়ে আসছে।

অর্থনৈতিক কারণের জন্যেই এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে হেঁটে ৮৩ দিনের মাথায় লাদাখ পৌঁছেছিলেন সিঙ্গুরের মিলন মাঝি। তাকে দেখেই উৎসাহিত হয়েছেন হুগলির চন্দননগরের যুবক প্রসেনজিৎ পাল। জানান ইচ্ছে আর মনের জোর থাকলে সমস্ত কাজই সম্ভব। সেই জন্যে বাইকের তেলের খরচ সামলে লাদাখ যাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠলেও হেঁটে হেঁটে করা যায় স্বপ্নপূরণ। মিলন মাঝির পরে পায়ে হেঁটে লাদাখে পৌঁছে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন প্রসেনজিৎ পাল।

একটি অনলাইন খাদ্য সরবরাহ সংস্থায় কাজ করেন প্রসেনজিৎ। বাইকে করেই খাওয়ার ডেলিভারি দিতে জান, সেই জন্যে সারা দিনই বাইকে বসে। এর আগে বাইকে করে দার্জিলিং এবং সিকিমের গুরুদাংমারে ঘুরু এসেছেন তিনি। ইচ্ছে ছিলো বাইকে করে লাদাখ যাওয়ার। তবে তেলের খরচ সামলে বাইক নিয়ে লাদাখ যাওয়া অসম্ভব। সেই জন্যেই হাওড়া ব্রিজ থেকে সোমবার ভোরে যাত্রা শুরু করেছেন তিনি। লাদাখ পৌঁছনোর কথা ৯০ দিনের মাথায়। শুধু নিজের স্বপ্নপূরণ নয়,এই অভিযানে পরিবেশ রক্ষা এবং প্লাস্টিক বর্জনের বার্তাও সকলের কাছে দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ।

Related Articles