×
অফবিট

পড়াশুনা ছেড়ে শুরু করেছিলেন ব্যাবসা, আজ ৭০০০ কোটি টাকার কোম্পানির মালিক বৃদ্ধ, রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন

নিরলস সংগ্রামের পর গোবিন্দ ভাই ঢোলাকিয়া (Govind Dholakia) বৃহৎ শিল্পীদের মধ্যে নিজের নাম করে নিয়েছেন। হীরক ব্যবসায়ী হিসেবে নিজের নাম এবং অর্থের ভার উপরে উঠতে থাকলেও তিনি সব সময় গ্রাউন্ডেড এবং একজন মহান জনহিতৈষী। সাফল্যের পরেও নিজেকে মাটিতে ধরে রাখার ক্ষমতা সবার থাকে না, তবে তাঁর আছে। সেই জন্যেই গোবিন্দ ভাই ঢোলাকিয়া সমাজের কাছে একটি উদাহরণ। শিল্পপতি সম্প্রতি, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ১১ কোটি টাকা অনুদান দিয়ে তিনি লাইমলাইটে এসেছেন। তবে কী জানেন এই পর্যায় পৌঁছাতে কী কী করতে হয়েছিলো তাকে?

বিজ্ঞাপন

৭ নভেম্বর, ১৯৪৭ সালে গুজরাটের সুরাটে একটি দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন গোবিন্দ ভাই ঢোলাকিয়া। বাড়ির অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় ঘর চালানোর জন্য ৭ম শ্রেণী পড়া ছেড়ে তিনি ১৯৬৪ সালে তার বড় ভাই ভীমজির সাথে হীরা পালিশ করার কাজ শুরু করেন। বহু বছর ধরে তিনি সেখানে হীরা পালিশ কারখানায় কাজ করতে করতে, ১৯৭০ সালের ১২ মার্চ তিনি তার দুই বন্ধুর সাথে নিজস্ব হীরার কারখানা শুরু করেন। এরপরে ১৯৭৭ সালে শ্রী রামকৃষ্ণ এক্সপোর্টস নামে হীরের রপ্তানি ব্যবসা শুরু করেন।

হীরক ব্যবসার ক্ষেত্রে তার নাম খুবই পরিচিত। আজ শ্রী রামকৃষ্ণ এক্সপোর্টস প্রাইভেট লিমিটেডের বিদেশের মাটিতে মূল্য এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এত উঁচুতে পৌঁছেও গোবিন্দভাই ঢোলাকিয়া কর্মচারীদের যত্ন নেন। কোম্পানির খরচে ১০ দিনের জন্যে কর্মচারী এবং তাদের পরিবারকে ঘুরতে নিয়ে জান। এছাড়া তিনি নিজে এক সময় থাকা খাওয়ার কষ্ট পেয়েছেন বলে নিজের কর্মচারীদের একটি গাড়ি ও একটি বাড়ি উপহার দিয়েছেন।

ভারতের বিখ্যাত হীরা ব্যবসায়ী গোবিন্দ ঢোলাকিয়া সম্প্রতি তার আত্মজীবনী “ডায়মন্ডস আর ফরএভার, সো আর মোরাল” প্রকাশ করেছেন। নিজের জীবনের কথা বই তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন তিনি পরিবারের চাহিদা পূরণের জন্য ১৯৬৪ সালে প্রথম সুরাটে এসেছিলেন। পরিশ্রম এবং সংগ্রামের মাধ্যমে আজ নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন।

Related Articles