×
নিউজ

নূন্যতম যোগ্যতায় রাজ্যের কলেজে প্রচুর নিয়োগ, জানুন আবেদন করার পদ্ধতি

বিজ্ঞাপন

মানুষের প্রথম শিক্ষার ধাপ হল বিদ্যালয়। বিদ্যালয়, এরপর কলেজ, তারপর বিশ্ববিদ্যালয়। সাধারণত এটাই আমাদের শিক্ষার স্তর। কিন্তু বর্তমানে স্কুল-কলেজ কিংবা যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে উপযুক্ত শিক্ষক আর কই! দিনে দিনে শিক্ষকের মাত্রা যে পরিমাণে কমছে তাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোই অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। কারণ বিদ্যালয়ে যেমন শিক্ষকের দরকার, তেমনি প্রয়োজন উপযুক্ত অশিক্ষক কর্মীদেরও। এদিকে বিদ্যালয়ে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদেরও সংখ্যা দিনে দিনে কমছে। তবে আর চিন্তা নেই, এসএসসি কমিশন নাহলেও, এবার একাধিক কলেজে অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের বড় সিদ্ধান্ত নিল কলেজ সার্ভিস কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই রাজ্যের একাধিক কলেজে অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ হতে চলেছে। বিগত কয়েক বছর ধরেই কলেজে অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায়, এই যাত্রায় শূন্য পদের সংখ্যাটাও অনেকটা লম্বা।

বিজ্ঞাপন

ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্যের একাধিক কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজ সার্ভিস কমিশনের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় অশিক্ষক কর্মীদের একটি তালিকাও ইতিমধ্যেই তৈরি করা হয়েছে। অশিক্ষক কর্মীদের মধ্যে সবথেকে বেশি পদ সংখ্যা রয়েছে, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, হেডক্লার্ক এবং একাউন্টেন্টের। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই উল্লেখিত শূন্য পদ পূরণের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবেদনপত্র চাওয়া হবে ইচ্ছুক প্রার্থীদের কাছ থেকে। তারপরে পদ অনুযায়ী যোগ্যতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে উল্লেখিত শূন্য পদের জন্যে নিয়োগ করা হবে। শূন্যপদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী সফল এবং যোগ্যপ্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রথমে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার পর সফল প্রার্থীদের ১৫ নম্বরের ইন্টারভিউ নেওয়া হবে।

এরপর প্রাসঙ্গিক কাজের উপর অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা বিচার করে প্রার্থীদের জমা দেওয়া নথিপত্রের ভেরিফিকেশন করার পরেই প্রার্থীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে। এছাড়াও আবেদনকারী প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ফলে রাজ্যের বেকার কর্মপ্রার্থীদের জন্য এই সিদ্ধান্ত সুবর্ণ সুযোগ হতে চলেছে।

কারণ শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেকদিন ধরে বন্ধ। এসএসসি এবং প্রাইমারিতে একের পর এক দুর্নীতির কারণে চাকরি নিয়ে রীতিমতো টানাপোড়েন চলছে। ফের কবে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ হবে, তা নিয়েও যথেষ্ট চিন্তার মধ্যে দিতে দিন কাটছে বেকার যুবক-যুবতীদের। যারা শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নে বসে রয়েছেন। আর এই কারণে রাজ্যের প্রায় বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক পদের শূন্যতার পাশাপাশি স্কুল এবং কলেজের অশিক্ষক কর্মীরও অভাব বেড়েছে।

Related Articles