×
নিউজ

এক ধাক্কায় নেমে গেল ইলেকট্রিক স্কুটারের দাম, পাওয়া যাবে অর্ধেকেরও কমে! ঘোষণা নিতিন গড়করির

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে যে পরিমাণে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে সেই কারণে অনেকেই পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির ব্যবহার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। যদিও এখন বাইক ছাড়া চটজলদি চলাচলের ক্ষেত্রে মানুষ আর কোনও যানবাহনের কথা ভাবতেই পারেন না। কিন্তু পেট্রোল-ডিজেলের আকাশছোঁয়া দাম মানুষের সব স্বপ্নেই জল ঢেলে দিচ্ছে। অগত্যা, মানুষ পেট্রোল-ডিজেলের বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক গাড়ি বেছে নিচ্ছেন। বর্তমান বাজারে বৈদ্যুতিক যান কেনাবেচা অনেকটাই বেড়েছে। কারণ ডিজেল এবং পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির কারণে অনেক মানুষ ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার দিকে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কিন্তু বৈদ্যুতিক গাড়ি আর কতজনই বা কিনছেন, সবারই তো ঝোঁক পেট্রল-ডিজেল চালিত বাইকের ওপরেই। এবার এরকম বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং পেট্রল-ডিজেল চালিত গাড়ির যাবতীয় সমস্যার জন্যে আগামী কিছু মাসের মধ্যেই আপনাদের জন্য আসছে দারুণ খবর। সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন এবং মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই ইলেকট্রিক গাড়ির দাম পেট্রোল গাড়ির দামের সমান হয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন এবং মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন বাবু জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ইলেকট্রিক গাড়ির দাম পেট্রল গাড়ির দামের সমান হবে। এছাড়াও প্রযুক্তি এবং সবুজ জ্বালানিতে দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে, যার কারণেই বৈদ্যুতিক অটোমোবাইলের দাম কমে যাবে আগামী দুই বছরের মধ্যে। সুতরাং ইলেকট্রিক গাড়ির দাম পেট্রোল চালিত গাড়ির সমান হয়ে যাবে। সুতরাং বলাই বাহুল্য যে, এই খবর প্রত্যেক গাড়ি এবং বাইক আরোহীদের স্বস্তি দেবে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হাইড্রোজেন প্রযুক্তি গ্রহণের আহ্বানও দিয়েছেন সকলকে। তিনি সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় নিষ্কাশন জলকে সবুজ হাইড্রোজেন রূপান্তরের উদ্বেগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আর এই হাইড্রোজেন হবে সবথেকে সস্তা জ্বালানির বিকল্প। সুতরাং হাইড্রোজেন উৎপন্ন করার সমস্ত পন্থা জেনে নেওয়ার আহবান দিয়েছেন নীতিনবাবু।

নিতিন বাবু আরো জানিয়েছেন, ‘লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির দাম দ্রুত কমে যাচ্ছে। তাই আমরা জিংক আয়ন, অ্যালুমিনিয়াম আয়ন এবং সোডিয়াম আয়ন ব্যাটারি তৈরি করছি। সর্বোচ্চ দুই বছরের মধ্যে ইলেকট্রিক স্কুটার, গাড়ি এবং অটোরিক্সার দাম পেট্রল চালিত স্কুটার গাড়ি এবং অটো রিক্সার সমান করে দেবো আমরা।’ তাঁর কথায়, ইলেকট্রিক গাড়ির দাম কমে গেলে ভীষণভাবে সুবিধা হবে সাধারণ মানুষের।

কারণ পেট্রোলের দাম আজ ১০০ টাকা হলে ভবিষ্যতে বৈদ্যুতিক গাড়ি চালাতে সেই খরচ হয়ে দাঁড়াবে দশ টাকা। কিছুদিন আগেই গ্রীন হাইড্রোজেন ফুয়েল কার লঞ্চ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত সবুজ হাইড্রোজেন চালিত গাড়ির দাম কিলোমিটার প্রতি এক টাকারও কম আর পেট্রোল চালিত গাড়ির দাম প্রতি কিলোমিটার অনুযায়ী পাঁচ থেকে সাত টাকা। তাই আগামী দিনে ইলেকট্রিক চালিত গাড়ি এলে মানুষের সাশ্রয় যে কমবে তা বলাই বাহুল্য।

Related Articles