×
নিউজ

এমন এক মুরগি যে বিনা মাথায় বেঁচে ছিল ১৮ মাস! গল্প শুনে অবাক নেটবাসী

বিজ্ঞাপন

আপনারা কী জানেন একটি মোরগ মাথা ছাড়াই বেঁচে ছিলো এক মাস? আর এই সময়ের মধ্যে নিজের মালিকের আর্থিক অবস্থার এক বিরাট পরিবর্তন নিয়ে এসেছিলো। বিশ্বাস হচ্ছে না তাই তো? তবে সব ঘটনা গুলো সত্যি। ১৯৪৫ সালে আমেরিকার এক গলা কাটা মোরগ জনপ্রিয় হয়েছিলো। এই বিষয়টি সেই সময় বিখ্যাত হয়েছিলো বিশ্বে, এমন কি আমেরিকায় মোরগটির মূর্তি আছে।

বিজ্ঞাপন

লয়েড ওলসেন একটি মোরগের মাথা কেটে দেয়। মাথা কেটে দেওয়ার পর মরে যাওয়ার বদলে মোরগটি পেছনের দিকে দৌড়াতে থাকে। এই সব দেখে লয়েড একটা বাক্সের ভেতর মোরগটি ঢুকিয়ে রেখে দেয়, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে তখনো মোরগটি বেঁচে রয়েছে। তিনি এই কান্ড দেখে অবাক হয়ে যান। অবশেষে মোরগটি নাম দেওয়া হয় মাইক। প্রথমে লোকের সাথে বাজি ধরে টাকা রোজকার করতেন লয়েড। তারপরে মাইকের কথা সকলেই জেনে যায়। দূর দূর থেকে তাকে দেখতে আসতে থাকে মানুষ। মাইকের প্রদর্শনী শুরু করে লয়েড। বেশ ভালো অর্থ উপার্জন করতে থাকে।

হ্যাঁ এটা ভাবা অস্বাভাবিক যে, মাথা ছাড়া কী ভাবে জীবিত ছিলো মোরগটি। জানিয়ে রাখা ভালো মোরগটির চোখ ছিল খুলির পেছনে। আর জানেন মোরগ বা মুরগির গলা কাটলে পেছনের অংশ বডির সাথেই থেকে যায়। সেই ভাবে চোখ দুটো মাইকের ছিলো বলো মাথা কাটার পরে সে দৌড়ে বেড়াতো। এছাড়াও তাকে বাঁচিয়ে রাখতে লয়েড পাইপ দিয়ে তাকে তরল খাবার খাওয়তো এবং সিরিঞ্জ দিয়ে গোলার কাছের শ্লেষ্মা পরিষ্কার করত। এটা ঠিক এই একটি অলৌকিক ঘটনা। সেই জন্যেই ফ্রুটাতে মাইকের একটি মূর্তি রয়েছে এবং প্রতি বছর সেখানে হেড লেস চিকেন ফেস্টিভ্যাল হয়।

১৯৪৭ সালে ৭ ই মার্চ মাইক মারা যায়। সেই সময় লয়েড এবং তার স্ত্রী মাইকে নিয়ে সফরে বেরিয়ে ছিলেন। তারা অ্যারিজোনা নামক একটি হোটেলে রাত্রি যাপন করার সময় শুনতে পান মাইক অদ্ভুদ আওয়াজ করছে। তারা গিয়ে দেখে মাইক ডানা ঝাপটাচ্ছে। সেই সময় তাকে বাঁচাতে গেলে দরকার ছিলো সিরিঞ্জের, যা তখন কারোর কাছে ছিলো না। শেষে মাইক মারা যায়। তবে তার আগে লয়েড অনেক অর্থ উপার্জন করে ফেলেছিলেন তার সাহায্যে।

Related Articles