×
লাইফস্টাইল

দুপুরে ভাতের সাথে খাবার জন্য সুস্বাদু এঁচোড় কালিয়া, শিখে নিন রেসিপি

বিজ্ঞাপন

কথায় আছে এঁচোড় হলো গাছ পাঠা। ভালো করে রান্না করতে পারলে খাসির মাংসকে হার মানাবে এর স্বাদ। এমনিও এই সময়ের সবজির স্বাদ এবং উপকারিতা খুব ভালো। তাই তো আমিষ – নিরামিষ দুই ভাবেই এঁচোড় রান্না করাই যায়। তবে এবার আমরা জানবো ‘এঁচোড়ের কালিয়া’। বিয়ে বাড়ির রান্নাকে হার মানাবে এই রেসিপি। অতএব বিয়ে বাড়ির নেমন্তন্ন না পেলেও বাড়িতে বিয়ে বাড়ির ভোজ খাওয়া যেতে পারে। ঝটপট দেখে নেওয়া যাক রেসিপিটি—

বিজ্ঞাপন

উপকরণ:
• ৮০০ গ্রাম ওজনের এঁচোড় বড়ো পিস করে কাটা
• ডুমো করে কাটা ২-৩ বড়ো আলু
• নুন, হলুদ এবং চিনি
• ২-৩ টেবিল চামচ সরষে তেল
• ১ টেবিল চামচ ঘী
• ১ টা তেজ পাতা, ২-৩ এলাচ, লবঙ্গ, ২ টো দারচিনি
• দুটো মিডিয়াম সাইজের পেঁয়াজ স্লাইজ করে কাটা
• দুটো টমেটোর পেস্ট
• ২ টেবিল চামচ আদা বাটা
• ২ টেবিল চামচ গোটা জিরে বাটা
• ৭-৮ কোয়া রসুন বাটা
• ১/২ কাপ ফেটানো টক দই
• ৫০ গ্রাম কাজুবাদাম বাটা
• ২০ গ্রাম কিশমিশ বাটা
• ধনে পাতা

প্রণালী :
নুন এবং হলুদ দেওয়া জলে এঁচোড় গুলো সেদ্ধ করতে হবে, অর্ধেক সেদ্ধ হওয়ার পরে কেটে রাখা আলু একসাথে সেদ্ধ করে নিতে হবে ৫ মিনিটের মত সময়( প্রেসার কুকারে দিলে ১ টা সিটি অব্দি)। তারপরে ভালো করে জল ঝরিয়ে নিয়ে ১-২ টেবিল চামচ তেলে একে একে আলু এবং এঁচোড় ভেজে নিতে হবে।

ভাজা হয়ে গেলে ওই তেলেই ভালো করে কেটে রাখা পেঁয়াজ ভেবে নিয়ে বেটে নিতে হবে। ওই কড়াইতে আরও একটু তেল (চাইলে ঘীও দিতে পারেন) দিতে তাতে একে একে তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি দিয়ে ভেজে নিতে হবে। গোটা মশলা থেকে হালকা গন্ধ গন্ধ ছাড়তে শুরু করলে তাতে আদা বাটা, গোটা জিরে বাটা, রসুন বাটা, ভাজা পেঁয়াজ বাটা, টমেটো বাটা দিয়ে হালকা আঁচে মশলা গুলো ভেজে নিতে হবে।

তারপরে মশলায় ভেজে রাখা আলু দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে নিয়ে অল্প জল দিয়ে ভালো করে ২ মিনিটের জন্যে কড়াই ঢেকে কষিয়ে নিতে হবে। এবার ভেজে রাখা এঁচোড় দিয়ে আবারও ২-৩ মিনিটের জন্যে কড়াই ঢেকে সমস্ত কিছু কষিয়ে নিতে হবে।

নির্দিষ্ট সময়ের পর একে একে দই, কাজুবাদাম বাটা, কিশমিশ বাটা দিয়ে একটু নেড়ে পরিমাণ মত জল (গরম জল দিতে পারেন) দিয়ে দিতে হবে। তারপরে ৫ মিনিট তরকারি ফুটে এলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে উপর থেকে ঘী দিয়ে নেড়েচেড়ে গ্যাস বন্ধ করে পরিবেশন করুন ‘এঁচোড়ের কালিয়া’।

টিপস:
১. এঁচোড় কাটার সময় চুরি বা বটিতে এবং হাতে ভালো করে সরষে তেল মাখলে আঠা গুলো হাতে লাগে না।
২. এঁচোড় কেটে সাথে সাথে জলে ফেলে দিতে হয়। না হলে লাল লাল রং হয়েছে।
৩. অনেক সময় ভেজে নিলেও এঁচোড় খেতে একটু তিতকুটে লাগে। তাই ভাপিয়ে জল ফেলে দেওয়া ভালো।
৪. এঁচোড়ের যে কোন পদ সুস্বাদু করে তুলতে একটু হলেও ঘী ব্যবহার করা ভালো।

Related Articles