×
লাইফস্টাইল

ওজন ও উচ্চ রক্তচাপ কমাতে আজই গ্রহণ করুন তরমুজের খোসা, রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন

গ্রীষ্মকালে বাজার ভরে ওঠে ফলে। নানা ধরনের ফল পাওয়া যায় এই সময়। ফলের রাজা আম হলেও গরমের সময় মানুষের সবচেয়ে প্রিয় ফল তরমুজ। বাজার ভর্তি হয়ে থাকে তরমুজে। অর্থাৎ জোগান বেশি এবং দামেও কম। ফলটি খেতে কেবল সুস্বাদু নয়, এতে রয়েছে অনেক পুষ্টি। প্রথমত তরমুজ ৯০% জলে ভরা হয় বলে মানুষের শরীরের জলের চাহিদা মেটায়। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন এ (Vitamin A), ভিটামিন সি (Vitamin C), পটাশিয়াম (Potassium) এবং ক্যালসিয়াম (Calcium) জাতীয় নানা উপাদান। তরমুজের ভেতরে লাল অংশটুকু আমরা খেয়ে থাকি। তবে অনেকেই জানেন না তরমুজের খোসার রয়েছে অনেক উপকারিতা।

বিজ্ঞাপন

মজার বিষয় জানেন আমরা খাওয়ার সময় লাল অংশটুকুর সাথে কিছুটা সাদা অংশ খেয়ে ফেলি, তবে বাকি সাদা অংশ ফেলে দিয়ে থাকি। বিজ্ঞানীদের মতে ফেলে দেওয়া ওই সাদা অংশের রয়েছে অনেক উপকারিতা। যার খবর পেলে আপনিও সাদা অংশ না ফেলে দিয়ে খেয়ে নেবে। আজকে জানবো তরমুজের খোসার গুনাগুন।

ইরেক্টাইএল ডিসফাংশন: তরমুজের খোসা মানসিক রোগ থেকে মুক্তি কমায়। পরীক্ষা করে দেখা গেছে তরমুজের খোসার থাকে লিবিডো বর্ধক শক্তি অ্যামাইনো এসিড সিট্রুলাইন। যা ভায়াগ্রার সাথে যুক্ত হয় কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া এল সিট্রুলাইন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করে ইরেকশন উন্নত করে।

উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায় হল তরমুজ সেবন। অনেক ডাক্তাররাও বলে থাকেন রক্তচাপ কমাতে তরমুজ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সেইজন্য তরমুজ এবং তরমুজের খোসা খাওয়া খুব ভালো।

ফাইবার সমৃদ্ধ: তরমুজের খোসায় রয়েছে পর্যাপ্ত ফাইবার। মল পরিষ্কারের জন্য ফাইবার যুক্ত খাবার খেতে হয়। এছাড়াও ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে এবং রক্তের শর্করা পরিমাণ কমাতে সহায়ক।

ওজন-হ্রাস: ওজন কমানোর জন্য প্রচুর পরিমাণ জলের প্রয়োজন পড়ে শরীরে। তরমুজের খোসা প্রচুর পরিমান জল থাকায় শরীরের ডিহাইড্রেশন হতে দেয় না। বিশেষজ্ঞদের মতে তরমুজের খোসায় ক্যালরি কম থাকে যা ওজন হ্রাসের সাহায্য করে। এটিতে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার থাকায় হজমে সাহায্য করে। তবে সমগ্র তরমুজ ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করলেও সবুজ অংশ খেলে পেট খারাপ হতে পারে।

উপকারিতা দেখে তরমুজের সাদা অংশ খেতে ইচ্ছে করছে তাই তো? জেনে নিন কি কিভাবে খাবেন;
১. সবজির তরকারিতে অন্যান্য সবজির সাথে দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
২. তরমুজের খোসা স্যালাড হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে কিংবা জুস বানিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
৩. তরমুজের খোসার হালুয়া ও আচার বানিয়ে খেলে তা যেমন উপকারী তেমনি মুখরোচক।

Related Articles