×
লাইফস্টাইল

চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করুন এই খাবার, নিয়ন্ত্রণে থাকবে ব্লাড সুগার! রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন

আমাদের দেশে মিষ্টি পছন্দ করেননা এমন বাঙালী এককথায় নেই বললেই চলে। অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে কোন শুভ কাজ মিষ্টি থাকাটা মাস্ট। তেমন বাঙালি-ও মরিয়া হয়ে ওঠে এক টুকরো মিষ্টি খাওয়ার জন্য। তবে, এই সময় যে হারে ডায়াবেটিস রোগের সংখ্যা বেড়ে চলেছে তাতে মানুষকে খাবার-দাবারের দিকে বিশেষ নজর দিতে হচ্ছে। আর ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে মিষ্টি খাবার খাওয়াটা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে! এর পর যদি আপনার ব্লাড সুগারের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় তাহলে তা অনেক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাই এক্ষেত্রে সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে হলে আপনাদের মিষ্টি খাওয়া একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু, মিষ্টি প্রেমিদের কাছে তা অত্যন্ত কষ্টকর। তাই আজ গ্রেটার নয়ডার অন্যতম চিকিৎসক আয়ুষি যাদরের মতে জেনে নিন এই সময় কোন কোন মিষ্টি-খাবার আপনারা খেতে পারবেন-

বিজ্ঞাপন

খেজুর, আশা করি এই ফলটি আপনাদের সকলেরই পছন্দ এবং এটি খেতেও বেশ মিষ্টি। তাই চাইলেই আপনারা দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খেতে পারেন। আর এটি শরীরের পক্ষেও অত্যন্ত সুবিধাজনক। কিন্তু এখন প্রশ্ন ব্লাড সুগারের রোগীরা এই ফল খেতে পারবেন কি পারবেন না? জানিয়ে রাখি খেজুরে মিষ্টি ও ক্যালোরি অনেক কম। তাই আপনারা এই ফল খেতেই পারেন। এই ফল আইরন, তামা, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ। তবে, যদি শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে কিছুটা খেয়ে নিলে হয়তো স্তর বাড়তে পারে।

এছাড়া অনেক সময় লক্ষ্য করা গিয়েছে যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারা বেশিরভাগ সময় মাংস খাওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের জন্য মধু অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খাবার। কেন না চিনিতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ভ্যালুর মাত্রা ৬৫, যেখানে মধুতে ৫৫ এর কাছাকাছি। যার থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে চিনির থেকে মধু খাওয়া বেশ সুরক্ষিত। এছাড়া মধুতে ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি, কার্বোহাইড্রেট ইত্যাদি থাকে যার ফলে শরীরও বেশ ভালোও থাকে।

তবে আপনাদের অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে এগুলি খাওয়া উচিত। কেননা এগুলিতো হল ঘরোয়া টোটকা। যা চিকিৎসক বা ঔষধপত্রের বিকল্প হতে পারে না। তাই এগুলির ব্যবহারিক প্রয়োগের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Related Articles