×
লাইফস্টাইল

সুগারের সমস্যায় নাজেহাল! নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রত্যহ দুধে মিশিয়ে খান এই তিনটি জিনিস, রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগেরও একাধিক ঔষুধ বেরিয়েছে। কিন্তু সুগার বা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যে কোনও ঔষধ নেই। তাই এখন ভুক্তভোগী সুগার রোগীরা বেছে নিচ্ছেন একাধিক শরীরচর্চাকে। তাঁদের এখন একটাই দাওয়াই, ঠিকঠাক খাওয়া-দাওয়া, নিয়মিত ব্যয়াম করা। সবটাই এখন সুগার রোগীদের একমাত্র সুস্থ করে তুলতে পারে। কারণ এই রোগের কোনো চিকিৎসা নেই। হ্যাঁ, তবে এই রোগীদের সুগারের লেভেল মারাত্মক হারে বেড়ে গেলে তাহলে সেক্ষেত্রে ইনসুলিন দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। বিশেষ করে আগে শুধু মধ্যবয়সীদের সুগার ধরা পড়ত, কিন্তু এখন বাচ্চাদেরও সুগার ধরা পড়ছে। তবে হু হু করে কমবে সুগার, যদি দুধের সঙ্গে মেশান তিনটি জিনিস। প্রতিদিন রাতে শোওয়ার সময় এক গ্লাস গরম দুধে তিনটি জিনিস মিশিয়ে ঘুমোতে যান।

বিজ্ঞাপন

১) রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে যদি এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধের মধ্যে এক চামচ হলুদ বাটা মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু সুগার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কারণ হলুদ শুধুমাত্র সুগার নিয়ন্ত্রণ করে তা নয়, আমাদের খাদ্য হজম করতেও সাহায্য করে। বিশেষ করে রাত্রিবেলা ঘুমোনোর অন্তত দু ঘণ্টা আগে যদি দুধ পান করে শোন, খুব ভাল। কথায় আছে, হলুদ মেশানো দুধ হল গোল্ডেন মিল্ক। এটি আপনার শরীরে যোগ করলে, আপনার শরীর অনেক সুস্থ থাকবে।

২) এছাড়া রোজ রাতে শুতে যাওয়ার সময় যদি এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধের মধ্যে সামান্য এক চিমটে দারচিনি গুলিয়ে খেতে পারেন, তা খুব ভাল। তাহলেও সুগার অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদি বিশ্বাস না হয়, তাহলে পরপর সাতদিন এটি খেয়ে দেখুন ফল পাবেন। তবে উপযুক্ত পরিমাণে প্রাণায়াম, হাঁটাচলা, এক্সারসাইজ করতে হবে।

৩) এছাড়াও রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে যদি এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধের মধ্যে সামান্য এক চিমটে গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলেও সুগার অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদি বিশ্বাস না হয় পরপর সাতদিন করেই দেখুন। ফল পাবেনই।

Related Articles