×
বিনোদন

খড়ি কি পারবে ঋদ্ধিকে তার মনের কথা বোঝাতে? রইল প্রোমো

বিজ্ঞাপন

আবার দূরত্ব বাড়ছে খড়ি – ঋদ্ধির মাঝে। খড়ি বোঝাতে পারছে না যে, সে কোনো প্রতিশোধ নিতে কুণাল আর বনির বিয়ে দেয়নি। যখন প্রাণ বাঁচাতে বিয়ে দেয় তখন সে ভেবেছিল সবটা কেউ না বুঝলে ঋদ্ধিমান বুঝবে। তবে তা ঘটেনি, উল্টে আঘাতের পর আঘাত দিচ্ছে ঋদ্ধি। তবে কী কখনো নিজের মনের কথা ঋদ্ধিকে বলতে পারবে খড়ি? এ কেমন ভালোবাসা যা দুজনের মধ্যে আছে, তবে একজনের মনে ভালোবাসার সাথে শাস্তি দেওয়ার ইচ্ছা জড়িয়ে আছে আর একজন অভিমানে চুপ।

বিজ্ঞাপন

বনি – কুণালকে বরণ করবে বলে ভাঙ্গা কাচের বোতলের উপর দিয়ে হেঁটে বরণ ডালা হাতে করে নিয়ে দরজার মুখ অব্দি পৌঁছায় খড়ি। সকলেই লক্ষ্য করে খড়ির পা থেকে রক্ত ঝরছে, তবে কেউ কিছু বলতে পারে না। খড়ি বনি – কুণালকে বাড়িতে বরণ করে ঢোকানোর পর তাদেরকে সবাইকে প্রণাম করতে বলে। তবে ঠাম্মা আর দাদু বাদে কেউ প্রণাম না নিলেও কিছু বলে না। তবে ছোট কাকী স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে বনিকে নিজের পুত্রবধূ রূপে কোন দিন মেনে নেবে না।

অন্যদিকে রাহুল আর তার বোন বনিকে উত্তপ্ত করতে থাকে। এর উত্তরে আগের মত বনি জবাব দিলে ছোট কাকি আরো রেগে যায়। আর এটাই চাইছিলো রাহুলরা। অন্যদিকে খড়িকে নিজে কষ্ট দিয়েও শান্তি পাচ্ছে না ঋদ্ধি। বার বার মনে পড়ছে পায়ের থেকে বেরনো রক্তের কথা। সব শেষ হয়ে যাওয়ার পর ঘরে পৌঁছলে ঋদ্ধি মলম লাগাতে আসে খড়ির পায়ে। এই দেখে খড়ি বলে ওঠে, এই নাটকের কোন প্রয়োজন নেই।

ভিডিওতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে ঋদ্ধি উত্তর দেয় সে নিজের জন্যে মলম লাগাচ্ছে। কারণ আরো অনেক কষ্ট পেতে হবে খড়িকে। বড়লোক বাড়ির বউ হওয়ার জন্যে তাকে শাস্তি পেতে হবে। আরো জানায় নিজের দুই বোনকে তাদের বাড়িতে বউ করে নিয়ে আসার শাস্তি রূপে যত দিন না ঋদ্ধি শান্তি পাচ্ছে তত দিন নিজের জীবন থেকে বের করবে না খড়িকে। এই বলে ক্ষত জায়গায় ড্রেসিং করতে শুরু করে। অন্য দিকে অভিমানে সবটা চুপ করে শোনে খড়ি।

Related Articles