×
বিনোদন

নোলকের কথা শুনে অরিন্দম কি মেনে নেবে রোহিণীর জামিন? রইল ভিডিও

বিজ্ঞাপন

অবশেষে অরিন্দম ও নোলকের জন্য বিয়ের মন্ডপ সেজে উঠলেও, দুই হাত এক হতে এখনো বাকি রয়ে গিয়েছে তাদের। কেননা, শুভদৃষ্টির পর মালা বদলের সময় খলনায়িকা মতো রোহিণী সেখানে উপস্থিত হয় বলে অ্যাডভোকেট অরিন্দম রায় বিয়ে করছে একজন নাবালিকাকে! এমনকি একটি জাল বার্থ সার্টিফিকেটও তৈরি করে সকলের সামনে রোহিণী প্রমান করে যে নোলকের এখন বিয়ের বয়স হয়নি। আর এখন সেই সূত্রেই কারাগারে রাত কাটাচ্ছে উকিল বাবু। কিন্তু, এবারে যে নিজেই অরিন্দমকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে গিয়েছে রোহিণী। তবে, রোহিণীর জামিন কি আদৌ মেনে নেবে অরিন্দম?

বিজ্ঞাপন

আসলে নোলকের এখন বিয়ের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে, কিন্তু রোহিণী চক্রান্ত করেই নোলকের মিথ্যে বার্থ সার্টিফিকেট বের করে আনে, যেখানে দেখানো হয় নোলকের এখনো বিয়ের বয়স হয়ে ওঠেনি। কিন্তু নোলক জানতো তাঁর এখন বিয়ের বয়স হয়ে উঠেছে, আর এই প্রমাণ জোগাড় করতেই সে তড়িঘড়ি করে পৌঁছে যায় বাবার বাড়িতে। সেখানে গিয়ে দেখে বাবার একমাত্র ভিঁটে সেটিকেও আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় রোহিণী। ফলে তাঁর আসল বার্থ সার্টিফিকেটও আগুনে পুরে যায়।

তবে নোলক-ও দমবার পাত্রী নয়, রোহিনী যখন বিয়ে করে ঘরে প্রবেশ করে তখন নোলক রোহিণীকে বলে আমি জানি কে তোমার কথা শুনে আমার বাড়িতে আগুন লাগিয়েছে, এই ভয় দেখিয়ে রোহিনীকে সে নিয়ে যায় থানায় এবং সেখানে গিয়ে উকিলবাবুর জামিন করায় নোলক। কিন্তু সেখানে রোহিনীকে দেখে বেজায় রেগে যান উকিল বাবু এবং নোলককে বলে, ‘রোহিনী আমার বেল করাচ্ছে?’ তখন নোলক উকিল বাবুকে বলে, ‘আমি জানি আপনি খুব রাগ করছেন কিন্তু ঠান্ডা হন। দেখুন আমার হাতে আর কোন উপায় ছিল না।’

এই কথা শুনে অরিন্দম আরো রেগে গিয়ে নোলককে বলে ‘কি উপায় ছিল না? তুমি কতটা বোঝো? তুমি জানো বেল করানোর অর্থটা কি? তার মানে কি আমি সত্যিকরের অপরাধ করেছি নাকি? আমাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে এখন ও আমাকে বেল করাতে এসেছে?’ কিন্তু এখানে যে নোলকের ভাবনাটা একটু আলাদা! সে চায় রোহিণীকে তার প্যাঁচে ফেলে উকিল বাবুকে নির্দোষ প্রমাণিত করতে। এখন দেখার বিষয় উকিল বাবু নোলকের এই ষড়যন্ত্রে হাত মেলাচ্ছেন কিনা আর রোহিণীর জামিন আদৌ মেনে নিতে পারছেন কিনা।

Related Articles