×
বিনোদন

একমাত্র বন্ধু বরফির কাছে কাঁদতে কাঁদতে মনের কথা বলল সহচরী, রইল ভিডিও

বিজ্ঞাপন

সমরেশের উপর এখনও একটু টান রয়েই গিয়েছে সহচরীর! চোখের সামনে কেমন করে স্বামীর নিয়ে দেখবে সহচরী! বরফির কাছে নিজের মনের কথা শেয়ার করলেন সহচরী! স্টার জলসার অন্যতম টপার ধারাবাহিক ‘আয় তবে সহচরী’ (Aay Tobe Sohochori)।শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকের স্থান হয়ে গিয়েছে, টিআরপির সেরা দশে। অসম বয়সী বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়েই এই কাহিনী ছকা হয়েছে। এরকম একটা ভিন্ন ধর্মী গল্পের স্বাদ কে না উপভোগ করবে বলুন!

বিজ্ঞাপন

শুরু থেকেই কাহিনীতে ফুটে উঠেছিল সহচরী অর্থাৎ গল্পের নায়িকা বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ির জন্যে সে শুধু নিজের ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েই গেল, কিন্তু তাঁকে কেউই ভালবাসে না। এমনকী তাঁর স্বামীও তাঁকে এক্কেবারেই সহ্য করতে পারেনা। ঠিক এই মুহূর্তেই তাঁর সঙ্গে বরফির সঙ্গে দেখা হয়, তাঁদের বন্ধুত্ব হয়। বরফি বয়সে তাঁর মেয়ের বয়সী হলেও তাঁর সঙ্গে সহচরীর ভাল একটি সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। এমনকী বরফির জন্যই শ্বশুরবাড়ির অমতে সে ফের পড়াশোনা শুরু করে, এরপর সহচরীর ছেলের বৌ হয় বরফি। সে অনেক কাহিনী।

তবে এই গল্পের মোড় এখন পুরোপুরি বেঁকে গিয়েছে। এখন ধারাবাহিকে একেকটা ধুন্ধুমার পর্ব চলছে সহচরীর স্বামী সমরেশের সঙ্গে তাঁরই ছাত্রী দেবীনার প্রেম। সেই নিয়েই এখন ধারাবাহিকের একেকটা ধুন্ধুমার কান্ড।ইতিমধ্যেই দেবীনা সহচরীর জীবনে ঢুকে সব লন্ডভন্ড করে দিয়েছে, সহচরীকে বিভিন্ন ভাবে পরাস্ত করে শেষে বাড়ি থেকেই বের করে দিয়েছে। আর স্বামীর থেকে অজস্র প্রত্যাখ্যান পেতে পেতে সহচরী জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। ইতিমধ্যেই সে একটি রেডিও স্টেশনে চাকরি পেয়েছেন, এবং জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছেন সেখানেও।

চাকরি পেয়েই সে ঠিক করেছে সমরেশকে সে ডিভোর্স দেবে। এখন শ্বশুরবাড়িও ছেড়েছে সে, বর্তমানে বরফির মামার বাড়ির থাকে সহচরী। এদিকে দেবীনা কায়দা করে সমরেশকে বিয়ে করছেন। কারণ সে এখন দাবি করছেন যে, তাঁর পেটে সমরেশের সন্তান। সেই কারণে একপ্রকার বাধ্য হয়েই সমরেশ দেবীনাকে বিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছে। এদিকে সহচরী সমরেশের জীবন থেকে চলে গেলেও এখনও তাঁর মন পড়ে রয়েছে স্বামীর দিকে এত বছরের সম্পর্ক কি এত সহজে গুড়িয়ে ফেলা যায়, তাই সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে যে, বরফিকে ফোন করে তাঁর মনের কথা বলছে সহচরী।

বলছে, ভালোবাসি না ঠিকই কিন্তু, চোখের সামনে স্বামীর বিয়ে অন্য কারুর সঙ্গে হতে দেখতে পারবো না। তখন বরফি বলে, তুই এই বাড়ি এসে একদম কাঁদবি না সই মা। কারণ বরফির কাছে সহচরী মা তুল্য। এদিকে দেখানো হচ্ছে সমরেশের গায়ে হলুদের সময়ে কে হলুদে চুলকনির ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছে। সেই হলুদ মাখতেই সবার চুলকনি শুরু হয়েছে। আসলে সবটাই বরফির তাঁর শ্বশুরের বিয়ে ভাঙার চক্রান্ত, এবার কাহিনী কোথায় মোড় নেবে সেটাই দেখার বিষয়!

Related Articles