×
বিনোদন

শেষমেশ পিহুকে বিয়ের মণ্ডপ থেকে উঠিয়ে আনলো ঋষি, তবে কি এবার সাতপাকে বাঁধা পড়বে দুজনে? রইল ভিডিও

বিজ্ঞাপন

শেষমেশ মিস পিহু মিত্র থেকে মিসেস প্রিয়দর্শিনী মিত্র সেনশর্মা হতে চলেছেন পিহু। কত নাটকই না তিনি করলেন ঋষির থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্যে। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না বস, আদৌ কি পিহু সত্যি সত্যি বিয়ে করতে চাইছে না ঋষিকে? নাকি এটা পিহুর কোনো প্ল্যান, ঋষিকে কাবু করার জন্যে। কিন্তু ঋষি তো এক্কেবারে সবকিছুর ঊর্দ্ধে যায়। বিয়ের আসরে চিঠি লিখে বউ অর্থাৎ পিহুর মুখে একেবারে কাপড় গুঁজে, তাঁকে কোলে তুলে নিয়ে পালালেন ঋষি বিয়ের আসর থেকে। মুখের বাঁধন খুলে পিহু পালাতে গেলেই, তাঁকে একেবারে ধরে বেঁধে বিয়ে সারতে চাইছেন নায়ক। ব্যাপারটা কি?

বিজ্ঞাপন

স্টার জলসার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মন ফাগুন’ (Mon Phagun)! পিহু-ঋষির রসায়ন এক্কেবারে জমিয়ে দিয়েছে ধারাবাহিককে। তাইতো ইতিমধ্যেই টিআরপির সেরা দশে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক! পিহু-ঋষি দুজনেই ছোটবেলার সঙ্গী, কিন্তু আচমকা মারাত্মক এক দুর্ঘটনায় আলাদা হয়ে যায় তাঁরা ছোটবেলাতেই! যদিও এখন তাঁরা স্বামী-স্ত্রী, কিন্তু তাঁরাই যে ছোটবেলার সঙ্গী ছিলেন পরস্পরের তা না জেনেই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল তাঁদের! ভাগ্যের পরিহাসে তাঁরা বিয়ের বন্ধনে বাঁধা পড়েন!

ঋষি-পিহুর বাবারাও একে অপরের বন্ধু ছিলেন, সেই সূত্রেই পিহু-ঋষির আলাপ হয়েছিল! কিন্তু সকলের ধারণা ছিল একসময় লোভের বশবর্তী হয়ে ঋষির বাবা চক্রান্ত করে পিহুর পরিবারকে মেরে ফেলেন! তাঁরই পার্সোনাল সেক্রেটারি ছিলেন মনিকা! এদিকে বিয়ের পর ঋষি-পিহু তাঁদের একে অপরের পরিচয়ের কথা জেনে যায়। যাই হোক, ইতিমধ্যেই ধারাবাহিক অনেক নতুন মোড় নিয়েছে, পিহু নিজের বাবা খুনির খোঁজ পেয়েছেন। মণিকাই তাঁর বাবার দেড় হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির জন্যে তাঁর পরিবারকে খুন করেছিল।

আর পিহুর জীবন দিয়েও অনেক ঝড় ঝাপ্টা গিয়েছে। পিহু, দায়িত্ব নিয়ে মণিকার সকল অপরাধ ধরিয়ে দেয় আদালতের হাতে। এদিকে সব ঝামেলা মিটে গেলেও পিহু আর ঋষি কে বিয়ে কইতে রাজি নয়। আসলে এটা ঋষির ভালোবাসার পরীক্ষা। তবে এই পরীক্ষায় তো যে ভাবেই হোক পাশ করতেই হবে। কিছুদিন আগেই ঋষির আরো জ্বলুনি বাড়াতে পিহু অন্য আরেকজনকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। সেই বিয়ের দিনেই পিহুকে নিয়ে পালালেন তিনি। পিহুকে কখনই কারুর হতে দেবে না ঋষি। আর পিহু চিৎকার করলে তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে, তাঁর হাত পা বেঁধে একেবারে কোলে তুলে মন্দির উপস্থিত হলেন ঋষি। মুখের কাপড় খুলে দিতেই পিহু ঋষির কাছ থেকে চলে যেতে চাইলেন। তখনই ঋষি তাঁকে থামিয়ে বলেন, এতদিন পিহু মিত্রকে আমি বিয়ে করেছিলাম সেটা সবাই জানতো। কিন্তু এবার প্রিয়দর্শিনীকে তাঁর টুবাই দা বিয়ে করতে চলেছে। এবার থেকে আর পিহু মিত্র নয়, প্রিয়দর্শিনী মিত্র সেনশর্মায় পরিণত হবে পিহু তাঁর টুবাই দার। এবার কি পিহুর মন গলবে? যদিও টুবাই দার এই রূপটাই দেখতে চেয়েছিলেন পিহু। সেটাই বলা বাহুল্য!

Related Articles