×
বিনোদন

জোর করে বউকে কোলে তুলেছে ঋদ্ধি, রাস্তার মাঝে স্বামীকে কামড়ে দেবার হুমকি দিল খড়ি, রইল ভিডিও

বিজ্ঞাপন

চলছে রাগ-অভিমানের পালা। বউ কেন সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছে। এটাই রাগ এখন ঋদ্ধিমানের। এদিকে বউ যে তাঁর একটি বিশাল সমস্যার সমাধান করে দিল, সেই বেলায় কিছু না তাই না! আসলে স্ত্রীর বুদ্ধির কাছে হেরে গিয়েছেন ঋদ্ধিমান। সেটাই আসল কারণ। তাই এখন ভুলভাল অজুহাত দিয়ে খড়িকে বাড়ি নিয়ে যেতে চাইছেন ঋদ্ধিমান। আসলে খড়ির ধারণা একটু হলেও আত্ম অহংকারে বাঁধছে ঋদ্ধিমানের। তাই হয়তো ঋদ্ধিমান এতটা রিয়্যাক্ট করছে। হ্যাঁ, স্টার জলসার টপার ধারাবাহিক ‘গাঁটছড়া’র (Gantchhora) কথাই বলছি।

বিজ্ঞাপন

আসলে এই ধারাবাহিক যত দিন যাচ্ছে, ততই যেন জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে আকাশ ছুঁচ্ছে। কিন্তু এই সপ্তাহে টিআরপির শীর্ষে জায়গা হল না ‘গাঁটছড়া’র। কিন্তু তাতে কি, এই ধারাবাহিকের ভক্ত সংখ্যা অগন্তি। তৈরি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক গাঁটছড়া ফ্যানপেজও। এদিকে খড়ি-ঋদ্ধির মধ্যে ভাবও এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আর সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই হয়তো মিল মিশ হয়ে যাবে খড়ি-ঋদ্ধির। দর্শকরা তো সেই অপেক্ষাতেই দিন গুণছে। আসলে কিছুদিন আগেই খড়িকে গয়না চুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে পুলিশ থানায় ধরে নিয়ে গিয়েছিল।

বউকে কোনোভাবে ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছেন ঋদ্ধিমান। যদিও গয়না কে চুরি করেছে, সেই রকম কিছু না জানা গেলেও এখন খড়ি-ঋদ্ধি প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করছেন। তাই খড়ি এদিন তাঁর শ্বশুরবাড়ির এক গাড়ির চালকের সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিল। আর তা শোনা মাত্রই ঋদ্ধিমান ক্ষেপে বম্ব হয়ে যান। কারণ, ঋষিমানের বউ বলে কথা শহরের একজন বিশাল বড় ব্যবসায়ী, তাঁর বউ সাইকেল চালাচ্ছে জানতে পেরে মিডিয়া একটা নতুন স্টোরি বানিয়ে নেবে। এমনিতেই তাঁদের বাড়ি গয়না চুরি হয়েছে জানতে পেরে মিডিয়ায় তাকে তাকে রয়েছেন কখন কি স্টোরি পাবেন তাঁরা। তার মধ্যে খড়ি গয়নার দোকানে দোকানে গিয়ে এরকম একটা কান্ডের পেছনে কে আছে এই শুনলে আর রক্ষা থাকবে না, কারণ খড়ি চায় তাঁর ওপর থেকে এই মিথ্যে বোঝাটা নেমে যাক। কারন তাঁর ননদ কিয়ারাও এই চুরির জন্যে খড়ির মা বাবাকে সন্দেহ করছে। যেহেতু তাঁর দাদা রাহুল এবং তাঁর মাকে সিংহ রায় বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

যাই হোক, খড়ির সাইকেল চালানোর কথা জানতে পেরেই ঋদ্ধিমান ছুটে আসে। এবং খড়িকে তৎক্ষণাৎ সাইকেল রেখে তাঁর সঙ্গে যেতে বললে, খড়ি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলে এটা আমার সম্ভব নয়। এদিকে ঋদ্ধিমান আসার আগে খড়ি কিছু ছিনতাইকারীর হাত থেকে একজন লোককে বাঁচায়। আর তা দেখতে পেয়ে ঋদ্ধিমান বউয়ের জন্যে গর্বিত বোধ করেন। তখন খড়ি বলেন, কেন আমি তো মাথা মোটা বুদ্ধি নেই তাইনা! এরই মধ্যে ঋদ্ধিমান বলে হ্যাঁ, এই মন্তব্য পাল্টাচ্ছে না। এই নিয়েই খড়ির সঙ্গে ঋদ্ধিমানের ফের খুনসুঁটি শুরুর হয়। সে বলে এখন কিন্তু আমি রাগ করছি, আপনার সঙ্গে আমি কথা বলব না। আর আপনার সঙ্গেও যাব না। আমি এই সাইকেলেই যাব। তখনই ঋদ্ধিমান জেদ করে বলেন, আপনাকে আমার সঙ্গেই যেতে হবে। এই বলে খড়ি কে কোলে তুলে নেন।

তখন খড়ি বলেন আপনার যেমন জেদ আছে আমারও আছে। আমাকে না নামালে আপনাকে সবার সামনে আমি কামড়ে দেব। তারপর বুঝবেন কাল সকালে এটাই হেডলাইন হয়ে যাবে সংবাদের। এরপরই ঋদ্ধিমান, খড়িকে কোল থেকে নামিয়ে বলেন আমার সঙ্গেই যেতে হবে। শেষমেশ বরের জেদের কাছে হার মানল আর কি খড়ি! আর বরকে বলল আসলে আমি এত বড় একটা সমস্যার হাত থেকে বাঁচিয়েছি বলেই আপনার আত্ম অহংকারে লেগেছে তাই না! তাও ঝগড়া করছেন। এরপরেই ঋদ্ধিমান কোনো কথা না শুনে স্ত্রীকে গাড়িতে উঠতে বলল।

Related Articles