×
বিনোদন

‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে হাজির ছোট্ট প্রাপ্তি, খুদের কথা শুনে চক্ষু চড়কগাছ রচনার, রইল ভিডিও

বিজ্ঞাপন

এতদিন সবাই জানত যে বাচ্চাদের সামনে চকলেট ধরলে তাঁদের আর কোনও খাবারের কথা মনেই থাকেনা, এমনকি তাঁদের কাছে চকলেট হল সব চাইতে মুখরোচক খাবার এবং ভাত হল সবচাইতে বাজে অর্থাৎ আনহেলদি খাবার। কিন্তু সম্প্রতি পাশা এক্কেবারে উল্টে গেল! একজন খুদে নিজেই বলল তিনি নাকি শুধু ভাত খেতে পছন্দ করেন, চকোলেট নাকি তাঁর বাবা-মা তাঁকে হাত-পা বেঁধে খাওয়ায়! শুনেছেন এরকম কোনও ঘটনা আজ পর্যন্ত!

বিজ্ঞাপন

হ্যাঁ, সম্প্রতি, জনপ্রিয় গেমশো ‘দিদি নং ওয়ান’ (Didi No 1) এর মঞ্চে এসে নিজের এই গুণের কথা জানালেন ছোট্ট প্রাপ্তি (Prapti)। এদিন, দিদি হিসেবে প্রতিযোগী ছিলেন ছোট্ট ছোট্ট চার খুদেরা। আর বাচ্চাদের সঙ্গে মিলে যেতে এবং তাঁদের বাবা-মায়ের সম্বন্ধে জানতে তো এক্কেবারে ওস্তাদ এই শোয়ের সঞ্চালিকা রচনা ব্যানার্জি, তা বলাই বাহুল্য! সেখানেই ছোট্ট প্রাপ্তির সঙ্গে গল্প জুড়ে বসলেন রচনা ব্যানার্জি (Rachana Banerjee)। বাচ্চাটির এত্ত বুদ্ধি এবং এত্ত পটর পটর কথা শুনে চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে উঠল রচনা ব্যানার্জি থেকে সেখানকার উপস্থিত সব দর্শকদের!

প্রথমেই রচনা ব্যানার্জি বাচ্চাটির মাথায় ফুলওয়ালা হেয়ার ব্যান্ড দেখে বললেন, ‘এই ফুলটি কোন গাছের, তুমি কোথা থেকে পেয়েছ প্রাপ্তি?’! ছোট্ট প্রাপ্তি তখন বলে ওঠেন, ‘মা কিনে দিয়েছে, এটা পড়লে স্মার্ট দেখায় নিজেকে!’ এরপর রচনা ব্যানার্জি বলেন, ‘পড়াশোনা শুরু হয়েছে প্রাপ্তি?’ তখন খুদের উত্তর, ‘হ্যাঁ দেখো না, মা-বাবা শুধু A B C D বারবার পড়ায়!’ এরপর অভিনেত্রী বলেন,’বড় হয়ে কি হতে চাও!’ খুদের উত্তর, ‘IPS অফিসার, মা বলে তোকে পুলিশ মানাবে!’

এরপর অভিনেত্রী বলেন, ‘কী খেতে ভালোবাসো প্রাপ্তি!’ তখন খুদে বলে ওঠে, ‘ভাত খেতে, আমি চকোলেট একদমই পছন্দ করিনা, মা-বাবা জোর করে হাত পা ধরে খাওয়ায় আমাকে, চকোলেট হল আনহেলদি খাবার!’ এই কথা শুনে রচনা ব্যানার্জি যেই তাঁর মাকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন যে, ‘প্রাপ্তিকে আপনারা জোর করে হাত পা ধরে চকোলেট খাওয়ান’!

মায়ের কাছে প্রাপ্তি নিজের নালিশ শুনে সঙ্গে সঙ্গে বলে ওঠেন, ‘না না আসলে আমি স্বপ্নের কথা বলছিলাম, যে স্বপ্নে বাবা-মা আমাকে জোর করে চকোলেট খাওয়ায়!’ বাচ্চাটির এই বুদ্ধি দেখে এদিন হাসতে হাসতে সবাই কুপোকাত! সঙ্গে প্রাপ্তির মা বললেন, খুব দুষ্টু। এই শুনে রচনা ব্যানার্জিও হতবাক রীতিমতন। বাচ্চাটির অসম্ভব বুদ্ধিমত্তা দেখে নেটিজেনরাও তাঁর প্রশংসা করেছেন! সম্প্রতি এই ভিডিওটি জি বাংলার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে শেয়ার করা হয়েছে।

Related Articles