×
বিনোদন

‘আমি তোমার নাম আমার জীবন থেকে মুছে ফেলতে চাই’, ফুলঝুড়িকে ফোন করে তুমুল অপমান লালনের, রইল ভিডিও

বিজ্ঞাপন

অনেক চেষ্টা করছেন লালনকে ফেরানোর জন্যে ফুলঝুড়ি, সত্যই কি লালন কে ফেরাতে পারবে ফুলঝুড়ি? এই মুহূর্তে স্টার জলসার টপার ধারাবাহিক ‘ধুলোকণা’ (Dhulokona)। সবাইকে একেবারে ক্লিনবোল্ড করে দিয়ে গত সপ্তাহেই টিআরপির সিংহাসনে বসেছে ধুলোকণা ধারাবাহিকটি। শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকটি তার জাদু দেখাতে না পারলেও এখন এক্কেবারে ধুন্ধুমার পর্ব চলছে এই ধারাবাহিকের।এই ধারাবাহিকের মূল চরিত্রে রয়েছে লালন-ফুলঝুড়ি। দুজনেই একটি বাড়ির ড্রাইভার এবং পরিচারিকা। অনেক কান্ড-কারখানা করে তাঁদের ভালোবাসা হয়। তবে লালনের পেশা ড্রাইভার ছাড়াও তিনি একজন জনপ্রিয় গায়ক।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে ফুলঝুড়িও এখন মোস্ট পপুলার গায়িকা হয়ে গিয়েছেন একটি রিয়্যালিটি শো জেতার পর। তবে লালন কে পছন্দ করে ফুলঝুড়ি যে বাড়িতে কাজ করে সেই বাড়ির মেয়ে চড়ুই।সে লালনকে কাছে পাওয়ার জন্যে এক্কেবারে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছে। লালনের ভালোবাসা ফুলঝুড়িকে একের পর এক বিপদে ফেলা থেকে শুরু করে তাঁকে পুলিশি হেফাজতে দিয়ে দেওয়া সবটাই চড়ুই লালনকে ভালোবেসে করেছে। কিন্তু লালন যে একমাত্র ফুলঝুড়িকেই ভালোবাসে। সেই কারণেই চড়ুই যতবার ফুলঝুড়িকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেছে ততবার লালন বাঁচিয়েছে। এদিকে লালনের বাবা-দিদি কেউ ফুলঝুড়িকে পছন্দ করে না।

তাঁরা চায় চড়ুই এর সঙ্গে বিয়ে হোক তাঁদের ছেলের। এই নিয়ে চলে কাহিনী। তবে লালন-ফুলঝুড়ির বিয়ে ঠিক হয়ে যায়, আর বিয়ের দিনই ঘটে যায় আরেক কান্ড। কারণ লালনের বাবার পরামর্শে ফুলঝুড়ি বিয়ের দিন লালনের জীবন থেকে সরে দাঁড়ায়। আর চড়ুই বিয়ের কণে সেজে লালনের পাশে গিয়ে বসে। এবং ঘোমটা দিয়ে চড়ুই এর মুখ ঢাকা থাকার কারণে লালন ফুলঝুড়ির মুখ না দেখেই চড়ুইকে সিঁদুর পরিয়ে দেয় এবং তাঁদের বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর লালন আসল সত্যটা জানতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই ফুলঝুড়িকে ভুল বোঝে। আর চড়ুইকে কোনও দিনও মেনে নিতে পারবেনা, সেই কারণে বাড়ি ছাড়ে। ফুলঝুড়ি অনেকবার লালনকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তা বিফলে যায়। কারণ লালন ফুলঝুড়ির থেকে এটা কোনোদিনও আশা করতেই পারেনি। এদিকে ফুলঝুড়িও মরমে মরে যায়। সারাদিন কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল শুকিয়ে যায় তাঁর, কারণ লালনের জন্যে সে সব করতে পারে।

এরই মধ্যে ফুলঝুড়িকে লালন ফোন করে বলে, ‘তুমি যে আমার অসুস্থর সময়ে নিজে নিজে সিঁদুর পরে নিয়েছিলে এটা কি মিথ্যে ছিল, তোমার সঙ্গে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই। সুতরাং সিঁদুর মুছে ফেল, নিজেকে বিধবা ভাবতে শুরু কর।’ ওদিকে ফুলঝুড়ি ফের কাঁদতে কাঁদতে লালনকে বোঝাতে চেষ্টা করে, ‘তুমি ফিরে আসো যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে।’ তখন লালন বলে তোমার কান্নায় আমার আর মন গলবে না কোনোদিনও। এদিকে ফুলঝুড়ির বাবা মার পরিচয় পেয়ে গিয়েছে, সে যে বাড়িতে কাজ করে সে বাড়ির ছোট্ট ছেলে এবং তাঁর প্রেমিকার মেয়ে সে। কিন্তু ফুলঝুড়ি বাবা মা কে মেনে নেয়নি এখনো। তাহলে কি লালনের সঙ্গে
ফুলঝুড়ির আর সম্পর্ক হবে না?

Related Articles