×
বিনোদন

চার সন্তানের বাবা হয়েও মিঠুন চক্রবর্তী শুনতে পাননা বাবা ডাক! রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন

জানেন কি, চার সন্তানের পিতা হওয়া সত্ত্বেও মিঠুন চক্রবর্তী এখনও সন্তানদের থেকে বাবা ডাক শুনতে ব্যর্থ! গতকাল গিয়েছে পিতৃদিবস সেই উপলক্ষ্যে জানাই আপনাদের যে, এর পেছনে কি সত্যি? কয়েকদিন আগেই ৭১ বছরে পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। যিনি কিনা আমাদের বাংলা এবং হিন্দি দুই চলচ্চিত্রেরই একজন স্বনামধন্য অভিনেতা। আশি-নব্বইয়ের দশক থেকেই বাংলা এবং হিন্দি দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই রাজ করেছেন তিনি। একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে নায়কের ভূমিকায় বলিউড টলিউড দুই ইন্ডাস্ট্রিই কাঁপিয়েছেন এই অভিনেতা।

বিজ্ঞাপন

এমনকী এখনও তিনি রাজ করছেন দেশের দুই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতেই। তবে কিছুদিন আগে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, কিন্তু ওটা নিছকই রুটিন চেকাপের জন্যেই। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল যে, তিনি খুব অসুস্থ। তা মোটেও নয়। দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে আজ তিনি সাফল্যের দোরগোড়ায়। তিনি বলিউড হোক বা টলিউড দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই একাধিক ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মহাগুরুর আসনে রয়েছেন বাংলার ডান্স রিয়্যালিটি শোতে। এছাড়াও এখনো একাধিক রিয়্যালিটি শোয়ের বিচারক আসনে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু জানেন কি, কর্মজীবনে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করলেও, ব্যক্তিগত জীবনে আজ পর্যন্ত বাবা ডাক শুনতে পাননি অভিনেতা। হ্যাঁ, চার সন্তানের বাবা মিঠুন চক্রবর্তী। তবুও বাবা ডাক থেকে বঞ্চিত তিনি। তাঁর স্ত্রী যোগিতা বালি (Yogeeta Bali) ও চার সন্তানদের নিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর সুখী পরিবার। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাঁর কোনো সন্তান তাঁকে বাবা বলে ডাকেননি। তবে এর পিছনে রয়েছে একটি বড় কারণ।

সে কথা নিজেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন অভিনেতা একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। ঠিক কি কারণে এখনো পর্যন্ত চার সন্তানের বাবা হওয়া সত্ত্বেও বাবা ডাক শুনতে পাননি তিনি? অভিনেতার কথা অনুযায়ী, তাঁর বড় ছেলে মিমো ছোটবেলায় চারবছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতে পারতো না। তবে হঠাৎ করেই একদিন সে ‘মিঠুন’ উচ্চারণ করে বসে। এরপরই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মিমো ‘মিঠুন’ বলার পর থেকে আর বাবা ডাকেন নি, সেটাই তাঁর অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। এখনো তাই ডাকেন। আর দাদার দেখাদেখি ছোট থেকেই তাঁর দুই ভাই ও এক বোনও মিঠুন চক্রবর্তীকে বাবার বদলে মিঠুন বলেই ডাকেন। সেই কারণেই হয়তো মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর সন্তানদের সঙ্গে একেবারে বন্ধুর মতন মেশেন।

Related Articles