×
বিনোদনলাইফস্টাইল

ত্বক ও চুলকে সুন্দর করে তুলতে মেনে চলুন ঐশ্বর্যর সিক্রেট টিপস, রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন

১৯৯৪ সালে বিশ্ব সুন্দরীর তাজ উঠেছিল তাঁর মাথায়। বর্তমানে বয়স তার ৪০ পেরলেও নিজের বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শরীরের জেল্লায় উষ্ণতা ছড়িয়ে চলেছেন তিনি। এছাড়া তাঁর হাসি ও সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়নি এমন মানুষ নেই বললেই চলে। এক কথায় তিনি হলেন পরম সুন্দরী। আশাকরি এতক্ষণে হয়তো বুঝে গিয়েছেন কার কথা বলা হচ্ছে? হ্যাঁ ঠিক হয়ে ধরেছেন তিনি আর কেউ নন হলেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan)। তাঁর এমন সৌন্দর্যের রহস্য কি, তা জানতে সর্বদা মুখিয়ে থাকেন ঐশ্বর্যের মেয়ে ভক্তগনেরা। আজ তাহলে জেনে নিন তাঁর এত সুন্দর রুপের রহস্য।

বিজ্ঞাপন

মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার পর দিনের পর দিন যেন আরো সুন্দর হয়ে উঠেছেন ঐশ্বর্য। কিন্তু, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি। বাড়তি ওজন, হেয়ার ফল ইত্যাদির জন্য তাঁর সৌন্দর্যে কিছুটা ভাটা পরেছিল, সেইসঙ্গে ট্রোলের শিকার হন তিনি। কিন্তু, কিছুদিনের মাথাতেই ফের নিজেকে শেপে ফিরিয়ে এনেছেন ঐশ্বর্য। পাশাপাশি নিজের সৌন্দর্যকেও গ্রুম করেছেন তিনি। চলুন তাহলে জেনে নিন নিজের রূপচর্চার ক্ষেত্রে কি কি ব্যবহার করেন ঐশ্বর্য।

প্রথমে, তিনি নিজের চুলে শুধু ব্যবহার করতেন নারকেল তেল। তবে অন্তঃসত্ত্বা সময়ে প্রচুর হেয়ার ফলের কারণে পরবর্তী সময়ে নারকেল তেলের সঙ্গে কিছুটা এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে সারারাত চুলে লাগিয়ে রাখতেন তিনি। তারপর সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিতেন। এর ফলে চুলে খুশকির সমস্যা একেবারেই দূর হওয়ার পাশাপাশি চুলের গ্রোথ শুরু হয়।

আর নিজের ত্বকের যত্নের জন্য প্রতিদিন ক্লিনজার ব্যবহার করেন ঐশ্বর্য। তবে ঘরোয়া প্রোডাক্টের ওপর একটু বেশি ভরসা তাঁর। তাইতো বেসন, দুধ ও হলুদের মিশ্রন নিজের ত্বকে ব্যবহার করেন ঐশ্বর্য। এর ফলে ত্বক এক্সফোলিয়েট করবার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এরপর মধু ও টক দইয়ের মিশ্রণ ব্যবহার করেন তিনি। সেই সঙ্গে, এক সাক্ষাৎ মাধ্যমে তিনি জানিয়েছিলেন ত্বকের যত্ন নিতে অ্যারোমাথেরাপি উপর ভরসা রাখেন তিনি, যার জন্য তার মনও ভালো থাকে।

এছাড়া তাঁর রূপচর্চা জুড়ে রয়েছে প্রচুর এসেন্সিয়াল অয়েল। এমনকি নিজের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সমৃদ্ধ সবুজ শাকসবজি খেতে পছন্দ করেন তিনি এবং পান করেন প্রচুর পরিমাণে জল।

Related Articles