×
বিনোদন

পারমিতার মুখে রাহুলের আসল পরিচয় জানতে পেরে জ্ঞান হারালো দ্যুতি, কোন দিকে মোড় নেবে এবার দ্যুতির জীবন?

বিজ্ঞাপন

যা এত আশা করে সিংহরায় পরিবারে ফাইনালি ঢুকলেন দ্যুতি, সব শেষ হয়ে গেল নিমেষেই। রাহুলের আসল পরিচয় জানতে পেরে রীতিমতন ভিরমি খেলেন দ্যুতি, থুড়ি ভিরমি নয়, অজ্ঞান হয়েই পড়ে গেলেন দ্যুতি। কত কাণ্ডই না করলেন দ্যুতি রাহুলকে বিয়ে করার জন্যে।এমনকী মিথ্যে প্রেগন্যান্সির নাটক পর্যন্ত করলেন তিনি। কিন্তু সব গুঁড়েই বালি। আসলে রাহুল সিংহ রায় বাড়ির ছেলেই নয়, রাহুলের দাদু অর্থাৎ তাঁর মা পারমিতার বাবা সিংহ রায় বাড়ির ব্যবসার ম্যানেজার ছিলেন। তাই একপ্রকার দয়া করেই পারমিতাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমানের দাদু।

বিজ্ঞাপন

এমনকী রাহুলকে ঋদ্ধিমান নিজের ভাই বলেই মনে করেন, ব্যবসাতেও রাহুলকে অংশীদার করেছেন তাঁরা। কিন্তু রাহুল এবং পারমিতার ধান্দা অন্য, সে সিংহ রায় বাড়ির গোটা সম্পত্তি আত্মসাৎ করতে চান। এই নিয়েই ‘গাঁটছড়া’ (Gantchhora) ধারাবাহিক একেবারে জমে উঠেছে। দ্যুতি-ঋদ্ধিমানের বিয়ে হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠে না। ঋদ্ধিমানের স্ত্রী হন খড়ি। তবে রাহুলের জালে দ্যুতি পড়েছিলেন একই লোভে।

বিখ্যাত হীরে ব্যবসায়ী সিংহ রায় বাড়ি ঢুকতে পারবেন দ্যুতি।এরপর একাধিক কাণ্ড ঘটে যায়, রাহুল দ্যুতিকে বিয়ে করতে না চাইলেও খড়ি আর ঋদ্ধিমানের প্রচেষ্টায় রাহুলের সঙ্গে বিয়ে হয় দ্যুতির। আর দ্যুতির তো বরাবরই ইচ্ছে ছিল সিংহ রায় দের বউ হওয়া। বড়লোক বাড়ির সম্পত্তি তাঁর আর রাহুলের নামে হবে। কিন্তু সম্প্রতি, রাহুলের আসল পরিচয় পেয়ে গেলেন দ্যুতি।

শাশুড়িকে চা দিতে এসে পারমিতার কিছু কথা শুনে নেয় দ্যুতি, কাঁদতে কাঁদতে পারমিতা তাঁর বোনের শয়তান জামাইকে বলতে শুরু করে। ‘এত করলাম সংসারের জন্যে, তাও আমি ওদের কিছু হতে পারলাম না। ওদের কাছে আমার একটাই পরিচয় আমি ওদের বাড়ির ম্যানেজারের মেয়ে। আমার বাবা কি করেছে ওদের ব্যবসাকে দাঁড় করানোর জন্যে।’ আর এই কথা দ্যুতি শুনেই বলে ওঠেন, ‘সেকি রাহুল তাহলে এই সিংহ রায় পরিবারের ছেলেই নয়।’এই বলতে বলতেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন দ্যুতি।

Related Articles