×
বিনোদন

চোর অপবাদ দিয়ে মল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে নোলককে! স্ত্রীর অপমানের বদলা নিতে তড়িঘড়ি করে মলে হাজির উকিলবাবু

বিজ্ঞাপন

নোলকের অপমান কিছুতেই সহ্য করবে না অরিন্দম। তাই দোকানে গিয়ে রীতিমতন নিজের বৌ বলে পরিচয় করে বুঝিয়ে দিয়ে আসলেন অরিন্দম। এ যেন এক আলাদাই উকিল বাবু। স্ত্রীয়ের সম্মান কোনোভাবেই হারিয়ে যেতে দেবেন না তিনি। টিআরপির তালিকায় নিজেদের নাম তুলতে এক্কেবারে উঠে পড়ে লেগেছে স্টার জলসার ‘গোধূলি আলাপ’ (Godhuli Alap) ধারাবাহিকের নির্মাতারা। এই ধারাবাহিকের পরিচালক রাজ চক্রবর্তী শুরুতেই বলেছিল তাঁর ধারাবাহিক টপ করবেই।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু, শুরু থেকেই এই ধারাবাহিক একেবারেই টিআরপিতে জায়গা করতে পারেনি। মাঝ বয়সী উকিলের সঙ্গে হাঁটুর বয়সী একটু গ্রামের মেয়ের বিয়ে, তাঁরা কিভাবে একসঙ্গে পথ চলতে পারবে সারাজীবন, সেটাই এই ধারাবাহিকের মূল উপজীব্য। একটি ছকভাঙা পরিস্থিতিতে পড়ে নোলককে বিয়ে করতে হয়েছিল অরিন্দমের। তবে সে সব অনেক কাহিনী! আজকে আমরা আলোচনা করব অন্য বিষয় নিয়ে। নোলককে অরিন্দমের বাড়ির কয়েকজন বাদে এখনো কেউ মেনে নিতে পারেনি। যদিও নোলকের গ্রামীণ হাবভাবের পেছনে কেউই অবগত নেই তেমন।

তাই নোলকও শ্বশুরবাড়ি গিয়ে একেকটা কান্ড ঘটাচ্ছে এবং আর বকুনি খাচ্ছে সবার কাছ থেকে। তেমনি, সম্প্রতি নোলক গিয়ে পৌঁছেছিল শহরের বিশাল বড় শপিং মলে। আর তাঁকে মানুষজনের কাছে ছোটো করাতে তাঁর সঙ্গে পৌঁছেছিল রোহিনী, এবং অরিন্দমের বোন-ভাগ্নিরা। রোহিনীর সঙ্গে অরিন্দমের বিয়ে ঠিক হয়েছিল, সেই কারণেই সে সারাক্ষন নোলককে বিপর্যস্ত করতে প্রস্তুত হয়ে থাকে। অরিন্দমের সঙ্গে পার্টিতে যাওয়ার জন্যে নোলক শাড়ী কিনতে শপিং মলের একটি শাড়ীর দোকানে ঢোকে।

কিন্তু অরিন্দম নোলকের সঙ্গে যেতে পারেননি, একটু কাজের জন্যে। তাই সে, তাঁর ডেবিট কার্ড দিয়ে যায়। কিন্তু পিন নাম্বার বলতে ভুলে যায়। তবে অরিন্দম জানতেন রোহিনী তাঁর এটিএম কার্ডের পিন জানেন। কিন্তু রোহিনী শয়তানি করে পিন নম্বর নোলককে দেয়নি। সে চেয়েছিল, নোলক যাতে সবার সামনে অপ্রস্তুতে পড়ে যায়। ঠিক তাই হল, শাড়ী পছন্দ করতেই সে আর শাড়ীর দাম দিতে পারল না। ২৬ হাজার টাকার শাড়ী, এটিএম কার্ডের পিন ছাড়া কি করে টাকা দেবে।

অন্যদিকে রোহিনী নোলককে ফাঁদে ফেলার জন্যেই বিভিন্ন ছুঁতো করে নোলকের কাছ থেকে বেরিয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই কার্ডের পিন না দেওয়ার জন্যে দোকানদার নোলককে চোর ভেবে তাড়িয়ে দেয়। এই কথাটাই অরিন্দম জানতে পেরে, নোলককে নিয়ে সেই শপিং মলের শাড়ীর দোকানে গিয়ে পৌঁছয়। আর শহরের এত বড় একজন উকিল অরিন্দমকে দেখে ওই দোকানদার চিনে যায়, তখনই অরিন্দম বলেন, ‘আপনারা ওকে তাড়িয়ে দিয়েছেন চোর অপবাদ দিয়ে। জানেন ও কে? আমার স্ত্রী। আপনারা কি সব মহিলাকেই এরকম অসুবিধায় পড়তে দেখে চোর বলেন।’ এরপর ওই দোকানদার নিজের ভুল বুঝে নোলকের কাছে ক্ষমা চায়।

Related Articles