×
বিনোদন

এত বড় সেলিব্রিটি হয়েও নেই অহংকার! ছোটবেলার স্কুলে গিয়ে শিক্ষিকার পা ছুঁয়ে প্রণাম অরিজিতের

বিজ্ঞাপন

এক কথায় বর্তমানে সুরের জাদুকর বলা হয় তাঁকে। যে কোন গানকে মোহময়ী কন্ঠে পরিবেশন করে গোটা বাংলার মানুষকে মুগ্ধ করে চলছেন তিনি। তবে, শুধুই কি বাংলা? না! বাংলার বাইরেও সকল মানুষের মনে রাজ করে চলেছেন তিনি। এছাড়া, গানের পাশাপাশি তাঁর আচার আচরণেও মুগ্ধ সকলে। আশাকরি এতক্ষণে হয়তো বুঝে গিয়েছেন এখানে, কার কথা বলা হচ্ছে। হ্যাঁ ঠিক হয়ে ধরেছেন তিনি আর কেউ নন হলেন নেপথ্য গায়ক অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)। নিজের দেশের মাটিতে সাধারণ মানুষ রূপে বরাবরই দেখা মেলে তাঁর। এবারো, নিজের প্রাক্তন স্কুলে দেখা গেল অরিজিৎকে।

বিজ্ঞাপন

মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়াগঞ্জের ছেলে অরিজিৎ সিং। বাংলা থেকে বলিউড তথা গোটা ভারতবর্ষের বড় বড় প্রোডাকশন হাউস গুলিতে গানের জন্য বহু ডাক আসলেও কখনো বিদেশের মাটিতে নয় বরাবর মাটির কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসেন তিনি। তাই তো, আজ সফলতার শীর্ষে পৌঁছে গেলেও নিজের দেশের মাটিকে আঁকড়ে ধরেই রয়ে গিয়েছেন তিনি। আর প্রায়শই নিজের জন্মভূমিতে বাকি পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতোই শৈশবের ভাঙা সাইকেলে করে গোটা শহর ঘুরে নিজের পুরোনো বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা মেলে তাঁর। সম্প্রতি, এবারে নিজের দেশের মাটিতে পা রাখতেই তিনি পৌঁছে গেলেন নিজের প্রাক্তন স্কুলে। আর এই সমস্ত ছবি এখন ভাইরাল নেট দুনিয়ায়।

জিয়াগঞ্জের বিজয় রাজা সিং বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা করেছেন অরিজিৎ এবং বর্তমানে সেই স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। তাই তো স্কুলের উন্নতির সূত্রেই হাজির হয়েছেন অরিজিৎ। আর স্কুলে পৌঁছে সর্বপ্রথম দেখা করেন তাঁর ইংরেজি শিক্ষিকার সঙ্গে। সেখানে গিয়ে শিক্ষিকার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন তিনি। এমনকি তাঁর পাশে বসে অনেকক্ষণ গল্পও করতে দেখা যায় তাঁকে। পুরনো ছাত্রকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে আলতো করে অরিজিৎ এর মাথায় হাত রেখে আর্শীবাদও করেন সেই শিক্ষিকা।

সর্বোপরি এইটুকু কথা বলাই যায় আজ তিনি যত বড় মাপের গায়ক হোন না কেন নিজের মধ্যে একটুকু অহংকার বোধ নেই তার। একেবারেই মাটির মানুষ তিনি। আর বলাই বাহুল্য এতবড় শিল্পী হওয়া সত্ত্বেও নিজের সন্তানকে বড় করে তুলেছেন সাধারন মানুষের মতই। কেননা, কোন দামি স্কুলে নয় বহরমপুরের এক সাধারণ স্কুলেই নিজের মেয়েকে ভর্তি করেছেন তিনি। সেই খবর দুদিন আগে উঠে এসেছিল শিরোনামে।

Related Articles